রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সিলেট আ.লীগের নেতৃত্বে নতুন চমক! একজন ডায়নামিক লিডার আজাদুর রহমান আজাদ :: আশরাফুল হক রুমন জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কর পরিশোধ করা যাবে খালেদার জামিন চেয়ে ১৪০১ পৃষ্ঠার আপিল লেবাননে প্রেসিডেন্টের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ, সংঘর্ষে নিহত ১ নবীগঞ্জে বিভিন্ন স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায় গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির পাওনার বিষয়ে আদেশ সোমবার শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ : শিক্ষামন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে ট্রেন দূর্ঘটনায় আহত ৪ জনকে দেখতে নবীগঞ্জ হাসপাতালে ইউএনও ও পৌর মেয়র রেলপথ নিরাপদ ও উন্নত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে সরকার ‘আগামী বছরের মধ্যে শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাবে’ তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের চালকসহ বরখাস্ত ৩ প্রবাসে বাংলাদেশি এলিন কালামের সাফল্য কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬




সুলতানি আমলের শাহি মসজিদ

সুলতানি আমলের শাহি মসজিদ



সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহর ছেলে নাসির উদ্দিন নুসরত শাহ গৌড় থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে কয়েকটি দিন শৈলকুপায় অবস্থান করেন। শৈলকুপার কুমার নদের উত্তর পাড়ে দরগাপাড়ায় অবস্থান করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন ধর্মপরায়ণ শাহ সৈয়দ আরেফ এ রব্বানী ওরফে আরফ শাহ। পরে নুসরত শাহ চলে গেলেও এলাকাটিকে ভালোবেসে সেখানে থেকে যান আরফ শাহ, সঙ্গে থাকেন সৈয়দ আবদুল কাদের বাগদাদি আর আবদুল হাকিম। সেখান থেকে ধর্মপ্রচারের কাজ শুরু করেন। ঘটনাটি ইংরেজি ১৪৯৪ থেকে ১৫৪০ সালের কোনো এক সময়ের। ওই সময়ে ধর্মপরায়ণ আরফ শাহ সুলতানের নির্দেশে প্রতিষ্ঠা করেন এক মসজিদ, যা আজকের শাহি মসজিদ নামে পরিচিত। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা শহরের দরগাপাড়ায় এর অবস্থান। ১৫১৯ সালে বাবা সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহর মৃত্যুর পর নুসরত শাহ বাংলার সিংহাসনে বসেন। এ ঘটনা তিনি সুলতান হওয়ার আগে না পরে, তা জানা যায় না। ইতিহাস বই থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে মসজিদ কমিটি, আর সেই ইতিহাস বর্ণনা করেন বর্তমান মোতোয়ালি মীর মনোয়ার হোসেন।

শৈলকুপা উপজেলার কুমার নদের উত্তর পাড়ে অবস্থিত শাহি মসজিদ। সুলতানি আমলের স্থাপত্যকলার উল্লেখযোগ্য নিদর্শন রয়েছে তাতে। মীর মনোয়ার হোসেন জানান, মসজিদটি ছয় গম্বুজবিশিষ্ট। দেয়ালগুলো প্রায় সাড়ে ৫ ফুট প্রশস্ত। পূর্ব দেয়ালের দুটি করে মোট সাতটি প্রবেশপথ রয়েছে। পূর্ব দেয়ালের কেন্দ্রীয় প্রবেশপথের উত্তর পাশে একটি করে সরু মিনার আছে। এগুলো কোণের মিনারের চেয়ে কিছুটা বাঁকানো। ভেতরে পশ্চিম দেয়ালে তিনটি মিহরাব আছে। পাশের দুটি থেকে কেন্দ্রীয় মিহরাবের আকার একটু বড়। ভেতরে ৫ ফুট উঁচু, দুটি প্রস্তরস্তম্ভ ও চারপাশের দেয়ালের ওপর নির্মিত আছে ছয়টি গম্বুজ। চার কোণে আছে আরও চারটি মিনার। এগুলো গোলাকার এবং বলয়রেখা দ্বারা অলংকৃত।

মসজিদের পূর্ব দিকে একটি মাজার রয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, এটি আরফ শাহর মাজার। মসজিদ বা মাজারে কোনো শিলালিপি নেই।

শাহি মসজিদটি মধ্যযুগের স্থাপত্যকলার নিদর্শন। দেশ-বিদেশের ও প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিদিন এখানে অনেক মানুষ আসে। মসজিদটি সংস্কারের কারণে এর আদি কাঠামো সঠিকভাবে নিরূপণ করা যায় না। তবে এটি যে সুলতানি আমলের মসজিদ, তা সহজেই বোঝা যায়।

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদ শেয়ার করুন



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সংবাদদাতা প্রতিনিধি আবশ্যক অনলাইন

apply




জরুরি হটলাইন

ক্যালেন্ডার

ডিসেম্বর 2019
সোম বুধ বৃহ. শু. শনি রবি
« নভে.    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930



© All rights reserved © 2017 Uttarancholsylhet.com
 
Design & Developed BY TC Computer
Translate »