রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
স্বতন্ত্র প্রার্থী ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন সালেহ আহমেদ প্রেমের টানে আপন চাচীকে সাথে নিয়ে পালিয়ে গেল ভাতিজা তালেবানের সঙ্গে বসবেন সৌদি যুবরাজ আগামী ২৪ ঘণ্টা বৃষ্টি থাকতে পারে রুস্তমপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল ও ব্রিজের পরিদর্শন : বিশ্বজিত হেলাল আহমদের সমর্তনে আওয়ামীলীগের কর্মী সভা সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতীয় পার্টির মতবিনিময় ২৭ ফেব্রুয়ারি জামায়াত ক্ষমা চাইলেও বিচার বন্ধ হবে না: ওবায়দুল কাদের আসন্ন নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে গোয়াইনঘাটে প্রার্থীরা নির্বাচন চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির ৭৪ প্রার্থীর মামলা জার্মানি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯ বছর পর ছাত্রলীগের সঙ্গে আড্ডায় ছাত্রদল ভালোবাসা দিবসে ক্যাটরিনাকে বিয়ে করছেন সালমান! ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ আরও একবার ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন মাশরাফি বিন মুর্তজা
বাস ট্রেন লঞ্চ সেবার নির্দেশ এক টিকিটে

বাস ট্রেন লঞ্চ সেবার নির্দেশ এক টিকিটে

এক টিকিটের মাধ্যমে যাত্রীরা যাতে সব ধরনের পরিবহনে চলাচল করতে পারে সে জন্য একটি সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে দেশের সব মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে উন্নীত করার কথাও বলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। রাজধানীর শেরেবাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় মোট ১৬ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা ব্যয়সাপেক্ষ ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এসব নির্দেশনার কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশের রেল, সড়ক ও নৌপরিবহনের জন্য একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্দেশ্য, জনসাধারণ যেন এক টিকিটে সব পরিবহনে যাতায়াত করতে পারে।

সভায় ‘৭০টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেক্ট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতায় সব মিটারগেজ রেলপথকে পর্যায়ক্রমে ব্রডগেজে রূপান্তর করতে হবে। ব্রডগেজে রূপ দিতে পরিকল্পনা গ্রহণে রেলপথ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন তিনি। রেলের যন্ত্রাংশ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জনবল এবং অবকাঠামো তৈরিরও নির্দেশ দেওয়া হয় সভায়।

এছাড়া ইন্টারনেটের গতি বাড়িয়ে বিটিসিএলকে আরো শক্তিশালী করার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে হাওর অঞ্চলের উন্নয়নে প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, সব আবাসন ও শিল্প কারখানায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থাকতে হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে তিন ফসলি জমি ও চর যাতে নষ্ট না করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভূমি ব্যবহারে সবাইকে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী হতে হবে। স্থাপনা নির্মাণ করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। এ জন্য একটি জাতীয় নীতিমালা তৈরি করতে ভূমি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকালের সভায় অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর অন্যতম একটি হলো পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাড়ে ১৯ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া। ২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে সরকারের। এ লক্ষ্যে চলমান একটি প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত আরো সাড়ে চার লাখ ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সালের জুন মাস পর্যন্ত আরো এক বছর বাড়ানো হয় গতকালের সভায়। এ জন্য প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে এক হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, একনেকে অনুমোদন পাওয়া ৯টি প্রকল্পে মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৩ হাজার ৬২০ কোটি টাকা, সংস্থাগুলোর তহবিল থেকে ২৮৬ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সহায়তা হিসেবে দুই হাজার ৫২৭ কোটি টাকা জোগান দেওয়া হবে।

image_print

সংবাদ শেয়ার করুন

মন্তব্য বন্ধ আছে।





ক্যালেন্ডার

ফেব্রুয়ারী 2019
সোম বুধ বৃহ. শু. শনি রবি
« জানু.    
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728  



© All rights reserved © 2017 Uttarancholsylhet.com
 
Design & Developed BY TC Computer