শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
নদী দখল-দূষণমুক্ত ও নাব্য ফেরাতে মাস্টার প্ল্যানের খসড়া চূড়ান্ত বৈশাখের আয়োজন দেখতে আসছেন ১০ দেশের সাংবাদিক এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন প্রশ্নফাঁসে বাতিল হলো কওমির দাওরায়ে হাদিসের পরীক্ষা প্রাথমিকে ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী নুসরাত হত্যাকাণ্ড নিয়ে পিবিআইয়ের সংবাদ সম্মেলন দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে লোটে শেরিং ৮ ঘণ্টা পর কুমিল্লা ইপিজেডের আগুন নিয়ন্ত্রণে শারীরিক অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ : সিঙ্গাপুরে নেয়া হচ্ছে না নুসরাতকে মস্তক তুলিতে দাও অনন্ত আকাশে বদলে যাচ্ছে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নের রং মালয়েশিয়ায় বাস খাদে পড়ে ৬ বাংলাদেশিসহ ১০ জন নিহত পহেলা বৈশাখ নিয়ে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা : আইজিপি অগ্নি নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা বিপিএলের খেলা প্রচারে কর ছাড় সুবিধা




বাস ট্রেন লঞ্চ সেবার নির্দেশ এক টিকিটে

বাস ট্রেন লঞ্চ সেবার নির্দেশ এক টিকিটে



এক টিকিটের মাধ্যমে যাত্রীরা যাতে সব ধরনের পরিবহনে চলাচল করতে পারে সে জন্য একটি সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে দেশের সব মিটারগেজ রেলপথকে ব্রডগেজে উন্নীত করার কথাও বলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। রাজধানীর শেরেবাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় মোট ১৬ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা ব্যয়সাপেক্ষ ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এসব নির্দেশনার কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশের রেল, সড়ক ও নৌপরিবহনের জন্য একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্দেশ্য, জনসাধারণ যেন এক টিকিটে সব পরিবহনে যাতায়াত করতে পারে।

সভায় ‘৭০টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেক্ট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের আওতায় সব মিটারগেজ রেলপথকে পর্যায়ক্রমে ব্রডগেজে রূপান্তর করতে হবে। ব্রডগেজে রূপ দিতে পরিকল্পনা গ্রহণে রেলপথ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন তিনি। রেলের যন্ত্রাংশ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জনবল এবং অবকাঠামো তৈরিরও নির্দেশ দেওয়া হয় সভায়।

এছাড়া ইন্টারনেটের গতি বাড়িয়ে বিটিসিএলকে আরো শক্তিশালী করার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে হাওর অঞ্চলের উন্নয়নে প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, সব আবাসন ও শিল্প কারখানায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থাকতে হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে তিন ফসলি জমি ও চর যাতে নষ্ট না করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভূমি ব্যবহারে সবাইকে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী হতে হবে। স্থাপনা নির্মাণ করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। এ জন্য একটি জাতীয় নীতিমালা তৈরি করতে ভূমি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকালের সভায় অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর অন্যতম একটি হলো পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে সাড়ে ১৯ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া। ২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে সরকারের। এ লক্ষ্যে চলমান একটি প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত আরো সাড়ে চার লাখ ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সালের জুন মাস পর্যন্ত আরো এক বছর বাড়ানো হয় গতকালের সভায়। এ জন্য প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে এক হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, একনেকে অনুমোদন পাওয়া ৯টি প্রকল্পে মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৩ হাজার ৬২০ কোটি টাকা, সংস্থাগুলোর তহবিল থেকে ২৮৬ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সহায়তা হিসেবে দুই হাজার ৫২৭ কোটি টাকা জোগান দেওয়া হবে।

image_print

সংবাদ শেয়ার করুন



মন্তব্য বন্ধ আছে।




ক্যালেন্ডার

এপ্রিল 2019
সোম বুধ বৃহ. শু. শনি রবি
« মার্চ    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  



© All rights reserved © 2017 Uttarancholsylhet.com
 
Design & Developed BY TC Computer