বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বিনা খরচে জাপান যেতে যা লাগবে অবশেষে বসল পদ্মা সেতুর ১৫তম স্প্যান কানাডায় আবারও জয়ী জাস্টিন ট্রুডো ভোলায় বিপ্লবের ২ স্বজনকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ আবরার হত্যা মামলায় সাদাতের জবানবন্দি ২৯ রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফিরেছে, জানেই না বাংলাদেশ দেশের ক্রিকেট ধ্বংস করতেই এই ধর্মঘট : পাপন ওয়ার্কার্স পার্টি ছাড়লেন বিমল বিশ্বাস অবশেষে অভিনেতা সিদ্দিককে ডিভোর্স দিলেন মিম ১৭ বছর পর দেশে ফেরার পথে কুয়েত বিমানবন্দরে প্রবাসীর মৃত্যু খালেরমুখ-তালতলা বাজার সড়কে দুই উপজেলাবাসীর দুর্ভোগ কারাগার থেকে হাসপাতালে নওয়াজ শরীফ ১ মিনিটেই নগদ অ্যাকাউন্ট’ সেবা উদ্বোধন করলেন জয় গাড়ির নকশা পরিবর্তন করে রাস্তায় নামালে কঠোর ব্যবস্থা ভোলা পুলিশ সুপারের ফেসবুক আইডি হ্যাক




ফিল্মি স্টাইলে অস্ত্র ঠেকিয়ে দখল হয় ফকিরাপুল ক্লাব

ফিল্মি স্টাইলে অস্ত্র ঠেকিয়ে দখল হয় ফকিরাপুল ক্লাব



কোনা সমঝোতা কিংবা সদস্যদের ভোটে নয়, বরং ক্ষমতার অপব্যবহার করে দখল করা হয় রাজধানীর ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাব। বসানো হয় ক্যাসিনো। যার নেতৃত্বে ছিলেন যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ। আর এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগ ও ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন। ক্লাবটির সাবেক সভাপতির দাবি, নিজেদের আখের গোছাতেই ব্যবহার করা হয় ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবকে। যাদের কারণে ঐতিহ্যবাহী এ ক্লাবটির ইমেজ হয়েছে ধ্বংস।

ফকিরাপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবের সাবেক সভাপতি নাসিরুদ্দিন মল্লিক পিন্টু বলেন, যে দলের জন্য প্রত্যেকটা সময় রাজপথে আন্দোলন করেছেন। সেই দল ক্ষমতায় থাকাকালীন ভাবতেও পারিনি আমাকে এভাবে অপমানিত হতে হবে। তাই সেদিন রাগে দুঃখে এসে পরেছি।

মতিঝিল পাড়ার ক্লাবগুলো কীভাবে রাজনৈতিক পেশীশক্তির ছত্রছায়ায় একের পর এক হয়েছে বেদখল, মনখারাপের সেই গল্পটাই বলছিলেন ক্লাবটির সাবেক সভাপতি নাসিরুদ্দিন মল্লিক পিন্টু। বলছিলেন ঠিক কীভাবে ২০১৭ সালে রীতিমত ফিল্মি স্টাইলে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে খালেদ মাহমুদের সেদিন দখল করেছিলেন ফকিরাপুল ক্লাব। বানিয়েছেন ক্যাসিনোর স্বর্গরাজ্য।

দেশের ফুটবলে ফকিরাপুল ইয়ংমেনস যেন এক আক্ষেপের নাম। ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠা। অথচ প্রথমবারের মতো তারা পেশাদার লিগ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ২০১৭/১৮ মৌসুমে। কিন্তু আর্থিকভাবে অক্ষম এ অযুহাতে সেবার দেশের সর্বোচ্চ ঘরোয়া লিগে অংশ নেয়নি তারা।

অথচ মতিঝিল পাড়ায় যে ক্লাবগুলোতে চলতো ক্যাসিনোর ব্যবসা, তাদের মধ্যে সবচাইতে বেশি আয় হতো ফকিরাপুলের। পরিমাণটা প্রতিদিন ছিল দেড় কোটি টাকার বেশি। যে আয়ের সিংহভাগ যেত খালেদ মাহমুদ আর সাব্বির হোসেনের পকেটে।

ফকিরাপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবের সাবেক সভাপতি নাসিরুদ্দিন মল্লিক পিন্টু বলেন, ‘আসলে তালাতো ক্লাবে ঝুলছে না। তালা ঝুলছে বুকে।

আমিন-রানা-আজগর-জালাল-আসিফ-হাসান আল মামুন কিংবা গোলাম রব্বানি ছোটন। একসময় দেশের ফুটবলের বড় পাইপলাইন ছিল এ ফকিরাপুল ইয়ংমেনস। অথচ গুটিকয়েক স্বার্থান্বেষী লোকের জন্য আজ ক্লাবটির ইমেজ সংকটে মুখে।

ফকিরাপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবের সাবেক ফুটবলার গোলাম রব্বানি ছোটন বলেন, ‘আমি যেভাবে ওখান থেকে উঠে আসছি। সেভাবে আরো অনেক খেলোয়াড় উঠে আসবে আশা করি।’

তাইতো সাবেক আর ক্লাব সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, যে সব ক্লাবের বিরুদ্ধে উঠেছে ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির অভিযোগ তাদের পরিচালনা পর্ষদ দেয়া হোক ভেঙ্গে। মূল্যায়ন করা হোক সত্যিকারের সংগঠকদের।

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদ শেয়ার করুন



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সংবাদদাতা প্রতিনিধি আবশ্যক অনলাইন

apply 




জরুরি হটলাইন

ক্যালেন্ডার

অক্টোবর 2019
সোম বুধ বৃহ. শু. শনি রবি
« সেপ্টে.    
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  



© All rights reserved © 2017 Uttarancholsylhet.com
 
Design & Developed BY TC Computer
Translate »