বুধবার, ২১ অগাস্ট ২০১৯, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সড়ক নয় যেন জলাধার! শ্রীনগরে আজ খুলছে ১৯০ স্কুল সাত সপ্তাহ পর বৈঠকে মন্ত্রিসভা কাশ্মীরের আজাদি দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ মাদরাসার ‘প্রবলেমেটিক’ ম্যানেজিং কমিটি চিহ্নিত করার কাজ শুরু রাতে শিক্ষার্থীদের আড্ডা বন্ধে পুলিশের অভিযান উপবৃত্তি পাবে সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষার্থীরাও শোক দিবসের অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার নির্দেশ ১১টি ভারতীয় গরু আটক জৈন্তাপুরে বেড়াতে এসে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন প্রবাসী নারী গোয়াইনঘাট থানায় নবাগত ওসির যোগদান চাঁদ দেখা গেছে, ১২ আগস্ট ঈদ মদ খেয়ে শ্রেণিকক্ষেই ঘুমাচ্ছেন শিক্ষক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মাসব্যাপী রচনা প্রতিযোগিতা শুরু আগামীকাল হঠাৎ ৪ স্কুলে শিক্ষা কর্মকর্তা, অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষকরা




প্রশ্নফাঁস চক্রের আটক ৪৬

প্রশ্নফাঁস চক্রের আটক ৪৬



ডিজিটাল ডিভাইস জালিয়াত চক্রের অন্যতম হোতা হাফিজুর রহমান হাফিজ ও মাসুদ রহমান তাজুলকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৪৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে অর্গানাইজড ক্রাইম সিআইডি। এর ফলে এ যাবৎকালের সর্ববৃহৎ প্রশ্নফাঁস চক্রটির মূলোৎপাটিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সিআইডি বলছে, ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষায় মূলত দুই ভাবে জালিয়াতি হয়। একটি চক্র প্রশ্ন ফাঁস করে। অন্য চক্রটি পরীক্ষার দিন প্রশ্ন সংগ্রহ করে সমাধান বের করে। এর পর ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে তা পরীক্ষার্থীদের সরবরাহ করে। সিআইডি প্রশ্নফাঁস চক্রটিকে আগেই শনাক্ত করেছে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করেছে। এবার তাঁরা ডিজিটাল ডিভাইস জালিয়াতি চক্রটিকেও গ্রেপ্তার করেছে।

‘গত কয়েক দিন অভিযান চালিয়ে ডিজিটাল জালিয়াত চক্রের মূল হোতা বিকেএসপির সহকারী পরিচালক অলিপ কুমার বিশ্বাস, ৩৮-তম বিসিএসে নন-ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ইব্রাহীম মোল্লা, বিএডিসির সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, আইয়ুব আলী বাঁধনসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই চক্রটি বিসিএস পরীক্ষায়ও জালিয়াতি করেছে।’

সিআইডি বলছে, ডিজিটাল ডিভাইস জালিয়াত চক্রের ৬ মূল হোতার অলিপ, ইব্রাহীম, মোস্তফা, তাজুল, হাফিজ ও বাঁধনের প্রত্যেকের নিজস্ব সহযোগী চক্র ছিল। এদের মধ্যে গত কয়েক দিনের অভিযানে হাফিজ ও তাজুল গ্রেপ্তার হয়েছে।

সিআইডি প্রধান অ্যাডিশনাল আইজিপি হিমায়েত হোসেন বলেছেন, বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত নেপথ্যে থাকা হোতাদের শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।

এসময় বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল জানান, আটককৃতদের কাছ থেকে ২৭ টি আধুনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা ভবিষ্যতে এমন অপরাধ করতে না পারে।তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসে যারা সুবিধাভোগী তাদেরকেও আটক করা হবে এবং মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হবে।

সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া ৯ জনের মধ্যে হাফিজ জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার এবং তাজুল ব্যবসায়ী। বাকিদের মধ্যে আবদুর রহমান রমিজ, সাইদুর রহমান ও মোহায়মিনুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসির ছাত্র, রিমন গ্রীন ইউনিভার্সিটির ছাত্র, জাহাঙ্গীর আলম অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার, মোশারফ হোসেন মোসা ঢাকা কলেজের পিওন, অসীম বিশ্বাস ঢাকা কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী।

image_print

সংবাদ শেয়ার করুন



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।




ক্যালেন্ডার

আগস্ট 2019
সোম বুধ বৃহ. শু. শনি রবি
« জুলাই    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031  



© All rights reserved © 2017 Uttarancholsylhet.com
 
Design & Developed BY TC Computer