শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সিলেট আ.লীগের নেতৃত্বে নতুন চমক! একজন ডায়নামিক লিডার আজাদুর রহমান আজাদ :: আশরাফুল হক রুমন জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি মোবাইল ব্যাংকিংয়ে কর পরিশোধ করা যাবে খালেদার জামিন চেয়ে ১৪০১ পৃষ্ঠার আপিল লেবাননে প্রেসিডেন্টের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ, সংঘর্ষে নিহত ১ নবীগঞ্জে বিভিন্ন স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায় গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির পাওনার বিষয়ে আদেশ সোমবার শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ : শিক্ষামন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে ট্রেন দূর্ঘটনায় আহত ৪ জনকে দেখতে নবীগঞ্জ হাসপাতালে ইউএনও ও পৌর মেয়র রেলপথ নিরাপদ ও উন্নত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে সরকার ‘আগামী বছরের মধ্যে শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাবে’ তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের চালকসহ বরখাস্ত ৩ প্রবাসে বাংলাদেশি এলিন কালামের সাফল্য কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬




‘অর্থনীতিতে এশিয়ার সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বাংলাদেশ’

‘অর্থনীতিতে এশিয়ার সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বাংলাদেশ’



২০২০ সালে অর্থনীতিতে এশিয়ার সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বাংলাদেশ। এমন পূর্বাভাস দিয়ে সোমবার (৮ অক্টোবর) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। যদিও একই সময়ে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমবে বলেও জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ। সংকট মোকাবিলায় ভারত বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে শক্তিশালী মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের আহ্বান জানান তিনি।

ওয়াশিংটনে তখন সকাল, বিশ্ব অর্থনীতির পর্যালোচকদের চোখ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হেড কোয়ার্টারে। আগামী এক বছরে বিশ্বের কোন দেশের অর্থনীতি আরো এগিয়ে যাবে কিংবা কোথায় বিনিয়োগে ওঠে আসবে মোটা অঙ্কের লাভ, তার হিসাব নিকাশ করতেই সবার নজর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রতিবেদনে।

আইএমএফ এর প্রধান অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ জানালেন, সামনের দিনগুলোতে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি। চলতি বছরের তুলনায় ২০২০ সালে প্রবৃদ্ধি কমতে পারে দশমিক ৫ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ বলেন, যে কোনো দেশেই প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে শক্তিশালী মুদ্রানীতি একটা বড় ভূমিকা রাখে। দুঃখজনক হলেও সত্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সফলতা দেখাতে পারছে না। এখানকার আর্থিক খাতের নীতিমালাগুলো ঘন ঘন পরিবর্তন হয়। স্বাভাবিক ভাবে প্রবৃদ্ধি কিছু কমছে ঠিকই, কিন্ত শেষ হয়ে যাওয়ার মতো সময় হয়নি। সুতরাং এখন থেকেই সতর্ক হতে হবে সবাইকে।

যদিও প্রতিবেদনে খুশি হওয়ার মতো উপলক্ষ রয়েছে বাংলাদেশের জন্য। আইএমএফ বলছে, চলমান প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে ২০২৪ সাল নাগাদ। যদিও এক্ষেত্রে শক্তিশালী মুদ্রানীতি আর আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার আহ্বান আইএমএফের।

গীতা গোপীনাথ বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় বাড়ানো খুব জরুরি। কারণ কাউকে পেছনে ফেলে অর্জিত উন্নয়ন টেকসই হয় না। বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় ও অর্থনীতির দেশগুলো এক ধরনের আধিপত্য দেখাচ্ছে, এটা ঝুঁকিও তৈরি করছে।

চীনের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতির আশঙ্কা করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বছর কয়েক দফায় বাড়বে তেল, স্বর্ণ, হীরা আর প্লাটিনামের দাম।

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদ শেয়ার করুন



মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সংবাদদাতা প্রতিনিধি আবশ্যক অনলাইন

apply




জরুরি হটলাইন

ক্যালেন্ডার

ডিসেম্বর 2019
সোম বুধ বৃহ. শু. শনি রবি
« নভে.    
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930



© All rights reserved © 2017 Uttarancholsylhet.com
 
Design & Developed BY TC Computer
Translate »